চুল পড়া বন্ধ করার ১০০% কার্যকারী উপায় দেখে নিন | চুল পড়া বন্ধ হবে

আপনি কি চুল পড়া বন্ধ করার উপায় খুঁজছেন?? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন। আজকের এই পোস্টে মহিলাদের চুল পড়া বন্ধ করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হবে এমন এমন কিছু উপায় শেয়ার করব যা ১০০ পার্সেন্ট আপনার চুল পড়া কমাতে সাহায্য করবে আপনি চোখ বন্ধ করে আমাদের উপর ভরসা রাখতে পারেন।
চুল পড়া বন্ধ করার উপায়
এই চুল পড়ার সমস্যায় আমিও এক বছর আগে ভুক্তভোগী ছিলাম। এত বেশি চুল পড়তে যে আমি নানান জায়গায় চিকিৎসা খুঁজতে থাকি তারপরে আমি হাতে পায়ে এমন কিছু কার্যকারী উপায় যা অনুসরণ করে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে আমার চুল পড়া একদম নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। আজকের এই পোস্টে আমরা শেয়ার করব চুল পড়া বন্ধ করার উপায় গুলো। 

ভূমিকা

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে আমাদের জাতীয় সমস্যা হচ্ছে অতিরিক্ত চুল পড়ে আর শীতকাল আসলে তো কোন কথাই নেই চুল পড়তে পড়তে মনে হয় মাথায় টাক পড়ে যাবে। অতিরিক্ত চুল পড়া সমস্যা থেকে আমরা কিভাবে রেহাই পাব??

আজও কি এই চুল পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব?? অনেকেই অনেক চিকিৎসক দেখিয়েছেন ওষুধ খেয়েছেন কিন্তু করে ফলাফল পাচ্ছেন না। অনেকেই মনে করেন চুল পড়ার জন্য কোন চিকিৎসা গ্রহণ করলে কিংবা কোন ঔষধ খেলে কোন কাজে আসে না।

হ্যাঁ আসলেই আমরা যেভাবে ওষুধ খাই সেই নেমে ওষুধ খেলে ওষুধ কাজে আসবে না আপনারা চুল পড়লেই ভিটামিন এই ক্যাপসুল কিংবা আরো অন্যান্য চুল পড়া বন্ধের ওষুধ সেবন করেন এক দুই মাস সেবন করার পর যখন কোন ফলাফল পান না তখন মনে করেন এই ঔষধটা কোন কাজের না। 

আরো জানুন: Floriz 5000 Tablet এর কাজ কি???  ৭ দিনে চুল পড়া বন্ধ করুন
কিন্তু এটা কোন সঠিক নিয়ম নয়। ভিটামিন ই ক্যাপসুলে রয়েছে সরাসরি ভিটামিন ই। যা শরীর থেকে ভিটামিন ই এর ঘাটতি পূরণ করবে। যখন কারো শরীরে ভিটামিন ই এর ঘাটতি দেখা দেয় তখন কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়। 

এই অবস্থায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল সেবন করে খুব দ্রুত ভিটামিন ই এর ঘাটতি পূরণ হয়। আর চুল পড়া বন্ধ হয়ে যায়।এখন যদি আপনার শরীরে ভিটামিন ই এর ঘাটতি না থাকে তাহলে আপনি তিন মাস কিংবা চার মাস অথবা এর বেশি সময় পর্যন্ত ঔষধ খেলেও কিন্তু কোন উপকার পাবেন না কারণ আপনার চুল তো আর ভিটামিন ই এর অভাবে পড়ছে না তাই না?? আমাদেরকে আসল জায়গাটা বুঝতে হবে কেন আমাদের এই চুল পড়ছে??

আবার আপনার শরীরের ভিটামিন ই এর ঘাটতি নেই আপনি যদি অন্যের কথা শুনে না জেনেই সরাসরি ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়া শুরু করেন এবং মনে করেন এতে আমার চুল পড়া কমবে তাহলে কিন্তু আপনার শরীরে অতিরিক্ত ভিটামিন ই জমে নানান রোগ বালাই তৈরি হবে। 

অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ করার উপায় 

অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ করার উপায় কি??? বর্তমান বাংলাদেশের ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের চুল সবচেয়ে বেশি পড়ে আমরা মনে করি এই চুল পড়া একবার শুরু হলে বন্ধ করা আর সম্ভব নয়। আজকে আমরা দেখব কিভাবে আপনারা খুব দ্রুতই চুল পড়া কমিয়ে ফেলবেন মাত্র এক মাসের মধ্যে। 

বয়স যখন আমাদের ২০ কিংবা ২১ হয় তখন থেকে এই চুল পড়ার সমস্যা শুরু হয় অনেকের ১৮ থেকে চুল পড়া সমস্যা শুরু হয় এই অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণ হলো আমাদের রাতজাগা অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া শরীরটা পুষ্টি এর ঘাটতি। এই তিনটি কারণেই সবচেয়ে বেশি আমাদের চুল পড়ে। 

অনেকেই আবার শীত কালে গরম পানি দিয়ে গোসল করেন কিংবা মাথায় সঠিকভাবে পরিষ্কার করেন না চুলের তেল দেন না মাথায় খুশকি সমস্যা রয়েছে ইত্যাদি এই সকল কারণেও চুল পড়ে আমাদের প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন কারো রয়েছে চুল পড়ার পিছে। 

আজকের এই পোস্টে সেই সকল কারণগুলো যাচাই করব এবং দেখব আপনার কোন কারণে চুল পড়ছে আর এই চুল পড়া বন্ধ করার উপায় গুলো কি কি। চুল পড়া খুবই সাধারণ একটি সমস্যা এই সমস্যা একবার শুরু হলে কোনভাবেই ঠিক হতে চায় না। বর্তমান বাংলাদেশে ঘরে ঘরে প্রত্যেকের চুল পড়ার সমস্যা এখন ছেলে মেয়ে প্রত্যেকের এই চুল পড়ার সমস্যার শিকার। 

চিকিৎসকরা বলেন প্রতিদিন যদি ১০০ টির মত চুল পড়ে তাহলে এটি নরমাল কিন্তু আপনার ১০০ টি চুল পড়লে আপনার মাথা থেকে চুল ধীরে ধীরে ফাঁকা হতে থাকবে। বাস্তবে প্রতিদিন ১০০টা চুল পড়া কিন্তু অনেক বিরক্তিকর ব্যাপার। বিশেষ করে যদি আপনার চুল খুব বড় বড় হয় তাহলে ১০০ টি চুল অনেক বেশি মনে হবে। 

আজকের এই পোস্টটা আমরা শেয়ার করব এমন কয়েকটি কার্যকারী উপায়ে যা ১০০% গ্যারান্টি সহ আপনার মাথায় চুল পড়ার সমস্যা কে রোধ করতে সাহায্য করবে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। প্রথমে আমাদেরকে জানতে হবে চুল কেন পরে? 

অতিরিক্ত চুল কেন পরে?? অতিরিক্ত চুল পড়ার পিছে বিশেষ কয়েকটি কারণ রয়েছে। আমাদের প্রত্যেকের কিন্তু একই কারণে চুল পড়ে না অনেকের শরীরে পুষ্টির ঘাটতির কারণে চুল পড়ে অনেকে শরীরে রক্তস্বল্পতার কারণে চুল পড়ে অনেকের বায়োটিন এর অভাবে চুল পড়ে আবার অনেকের প্রোটিন কম খেলে চুল পড়ে অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন কারণে চুল পড়তে পারে। 
দেখুন তো নিচের এই লক্ষণ গুলো আপনার মধ্যে রয়েছে কি। 

রক্তস্বল্পতা কিংবা আয়রনের ঘাটতি এর কারণে অতিরিক্ত চুল পড়তে পারে। 

যদি আপনার মাঝে মাঝে মাথা ঘুরে শরীর খুব বেশি দুর্বল লাগে হাতের কিংবা পায়ের নখ ভেঙ্গে যায় আপনি অল্প কাজে খুব বেশি হাপিয়ে ওঠেন সিড়ি দিয়ে উঠানামা করার সময় অনেক বেশি হাপিয়ে ওঠেন তাহলে আপনার শরীরের রক্তস্বল্পতা কিংবা আয়রনের ঘাটতি রয়েছে। 

আপনার চোখমুখ যদি ফ্যাকাসে হয়ে ওঠে তাহলে আপনার উচ্চমাত্রায় রক্তস্বল্পতায় রয়েছে এই অবস্থায় আমাদের অতিরিক্ত চুল পড়বে। যদি এমন কোন সমস্যা আপনার দেখা দেয় তাহলে আপনাকে বেশি বেশি আয়রনসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। 

প্রোটিনের অভাবে অতিরিক্ত চুল পড়তে পারে। 

আমাদের শরীরে প্রোটিনের অভাবে চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়। যারা সপ্তাহ হতে একবার ডিম খান না অর্থাৎ ডিম খেতে একদম পছন্দ করেন না তাদের শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হওয়ার স্বাভাবিক। ডিম এবং মাছ আর মুরগির মাংস তে খুব প্রোটিন পাওয়া যায়। যারা এই সকল খাবার পছন্দ করেন না তাদের শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থেকে চুল পড়তে পারে। 

প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দিলে চুল খুব বেশি পাতলা হয়ে যায় চুলের গোড়া নরম হয়ে যায় হাত পায়ে কোথাও কেটে গেলে ক্ষত সারতে খুব দেরি হয়, ওজন ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। এই অবস্থায় প্রতিদিন সকালে দুইটি সিদ্ধ ডিম খেতে হবে। 

অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে চুল পড়ে। 

আপনারা অনেকে হয়তো জানেন না যে অতিরিক্ত মানসিক চাপ থাকলে আপনার চুল পড়বেই। অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে আমাদের সঠিকভাবে ঘুম হবে না মাথা ভার ভার হয়ে থাকবে বুক সবসময় ধরফর করবে অল্পতেই মেজাজ খিচখিটে হয়ে যাবে এবং মনোযোগ কমে যাবে এই অবস্থায় আমাদের স্কিন এর চামড়াগুলো কুঁচকে যাবে এবং আমাদের অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হবে। 

ভিটামিন ডি এর অভাবে প্রচুর চুল পড়ে।

আপনার শরীরে যদি ভিটামিন ডি এর অভাব থাকে তাহলে আপনার চুল পড়বেই। ভিটামিন ডি এরা ভাব থাকলে চুল পড়া খুবই স্বাভাবিক। আপনার শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি রয়েছে নাকি আপনাকে ভিটামিন ডি টেস্ট করতে হবে তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি রয়েছে।

কিন্তু যদি ভিটামিন ডি এর ঘাটতি থাকে তাহলে ভিটামিন ডি ট্যাবলেট সেবন করতে পারেন প্রতিদিন সকালে নয়টা থেকে এগারোটা পর্যন্ত গায়ে রোদ লাগাবেন। ভিটামিন ডি এর অভাব থাকলে শরীর ভারি ভারি মনে হবে মন খারাপ থাকবে রোদে গেলে খুব বেশি অস্বস্তি লাগবে আপনি ঘনঘন অসুস্থ হয়ে পড়বেন এবং হারে ব্যথা করবে।

ঘুমের অভাবে চুল পড়তে পারে।

যারা লেট নাইট ঘুমানোর অভ্যাস তৈরি করেছেন প্রতিদিন রাত বারোটা একটার পর ঘুমান তাদের জন্য চুল পড়া খুবই স্বাভাবিক একটি সমস্যা।। প্রথমে আপনি এগারোটা কিংবা দশটা এর মধ্যে ঘুমিয়ে দেখুন যদি আপনার চুল পড়া নিয়ন্ত্রণে চলে আসে তাহলে মনে করবেন আপনার অতিরিক্ত রাত জাগার কারণে আপনার চুল পড়ছিল। 

এটি পরীক্ষা করার জন্য প্রথম চার থেকে পাঁচ দিন প্রতিদিন রাত দশটা থেকে এগারোটা এর মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ুন তারপর যদি আপনি রেজাল্ট ভালো পান তাহলে মনে করবেন যে আপনার চুল ঠিক এই কারণে পড়ত আপনাকে আর চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। 

থাইরয়েড সমস্যা থেকেও চুল পড়ে। 

যাদের অতিরিক্ত চুল পড়ে তাদের চুল পড়ার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে থাইরয়েড সমস্যা তবে এই সমস্যা কিন্তু আপনাদের ২০ থেকে ২১ বছর বয়সী ছেলে মেয়েদের হবে না। থাইরয়েড সমস্যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রাপ্ত বয়স্ক কিংবা ভারী বয়স্ক মানুষের হয়ে থাকে তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ১৮ থেকে ২০/২২ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের থাইরয়েড সমস্যা থাকে। 

থাইরয়েড সমস্যা হলে আপনার ওজন হঠাৎ করে বেড়ে যাবে কিংবা কমে যাবে হঠাৎ করে ঠান্ডা কিংবা অতিরিক্ত গরম লাগা শুরু হবে আপনার হার্টবিট বেড়ে যাবে তখন খুব বেশি শুষ্ক হয়ে পড়বে এবং চুল পড়া শুরু হবে। আপনার এই সমস্যাগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং থাইরয়েড টেস্ট করুন। 

ওপরের এই কয়েকটি কারণে অতিরিক্ত চুল করতে পারে। আপনাদের বেশিরভাগ মানুষেরই এই কারণগুলোর জন্য খুব চুল পড়ে কিন্তু আপনারা বুঝতে পারেন না যে আপনাদের চুল আসলে কেন পড়ছে। আশা করছি আপনারা বুঝতে পেরেছেন চুল পড়ার অন্যতম কয়েকটি কারণ সম্পর্কে। 

বেশিরভাগ ছেলেমেয়েদের এই কারণে চুল পড়ে আবার ছেলেদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ধূমপান করার ফলে চুল পড়ে। বর্তমান সময় যদি আপনি বাংলাদেশ জাতীয় দেখেন তাহলে ৮০ পার্সেন্ট বাসাতেই আপনি চুল পড়ার সমস্যা দেখবেন বর্তমান সময় প্রত্যেকে আমরা চুল পড়া সমস্যা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত রয়েছে।

কারণ এর পিছনে আমাদের অন্যতম কারণ হচ্ছে আমরা অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার গ্রহণ করি অতিরিক্ত রাত গিয়ে অতিরিক্ত মানসিক চাপ রয়েছে টেনশন রয়েছে ইত্যাদি। আমাদের থাইরয়েড সমস্যা হরমোন সমস্যা এগুলোকে বাদ দিলাম প্রত্যেকের কিন্তু থাইরয়েড সমস্যা হরমোন সমস্যা হয় না। 

আমাদের নিজের কারণে আমাদের অতিরিক্ত চুল পড়ে তাই আপনি আজ থেকে অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া বাদ দেন খুব বেশি মানসিক চাপ নিবেন না। অতিরিক্ত টেনশন করবেন না প্রতিদিন রাত দশটা থেকে এগারোটা এর মধ্যে ঘুমিয়ে পড়বেন আর অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না তাহলে দেখুন ৭ থেকে ৮ দিনের মধ্যে আপনার চুল পড়ার নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে। 

প্রিয় পাঠক বৃন্দাবন আশা করছি আপনারা সকলেই বুঝতে পেরেছেন অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণ সম্পর্কে। এবার চলুন দেখে আসি অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ করার উপায় গুলো। 

অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ করার উপায় 

ওপরে আমরা চুল পড়ার কারণ ব্যাখ্যা করার সময় চুল করার কারণ তার সাথে সেই কারণগুলো দূর করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেছি আপনি যদি নিয়মিত সঠিক সময় ঘুমানো শুরু করেন অতিরিক্ত মোবাইল বন্ধ করেন এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ এড়িয়ে চলেন।

তাহলে আশা করছি আপনার চুল পড়া অনেকটা কমে যাবে তবে এর পাশাপাশি যদি আপনার হরমোন সমস্যা থাকে যেমন আপনার শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন অনেক বেশি থাকে কিংবা আপনার থাইরয়েড সমস্যা থাকে তাহলে আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এর জন্য আপনাকে testosterone হরমোন টেস্ট করতে হবে ts4,ts3 হরমোন টেস্ট করতে হবে। 

চুল পড়া বন্ধ করার ১০০% কার্যকারী প্রাকৃতিক উপায় 

চুল পড়া বন্ধ করার এবার এমন কয়েকটি 100 পার্সেন্ট কার্যকারী প্রাকৃতিক উপায় শেয়ার করব যা অনুসরণ করলে ৭ থেকে ৮ দিনের মধ্যেই আপনি ফলাফল বুঝতে পারবেন। নিচে দেখুন কোন রকম খরচ ছাড়া চিকিৎসা ছাড়াই কয়েকটি উপায় সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। 
  • আজ থেকে প্রতিদিন রাত ১০ থেকে ১১ এর মধ্যে ঘুমিয়ে পড়বেন। 
  • ঘুমানোর আগে মোবাইল ব্যবহার করবেন না। 
  • অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিবেন না। 
  • খাবার তালিকায় বেশি বেশি মুরগির মাংস এবং মুরগির ডিম রাখুন সাথে মাছ। 
  • খুব বেশি শাক-সবজি খাওয়া শুরু করুন। 
  • খাবার তালিকায় গাজর যখন প্রতিদিন।
  • হালকা এক্সারসাইজ করুন। 
  • মাথায় স্কাল্প ম্যাসাজ করুন।
  •  তিন থেকে চার দিন পর পর চুল পরিষ্কার করুন শ্যাম্পু দিয়ে।
  • নিয়মিত চুলে তেল দেওয়া শুরু করুন।
  • চুলের সপ্তাহে একদিন মেহেদী পাতা পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। এটি চুলের গোড়াকে খুব মজবুত করে। 
  • খাবার তালিকা থেকে অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার বাদ দিয়ে দিন। 
  • স্মোকিং বন্ধ করে দিন। 
  • প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত রোদে বসে থাকুন।
শুধুমাত্র এই কয়েকটি উপায় অনুসরণ করে চললেই আগামী সাত থেকে আট দিনের মধ্যে আপনি ফলাফল বুঝতে পারবেন। আশা করছি আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন চুল পড়া বন্ধ করার ১০০ পার্সেন্ট কার্যকারী উপায় সম্পর্কে। এবার চলুন দেখে আসি আমরা আরো কিছু উপায়।।

চুল পরা বন্ধ করার আরো কিছু উপায় 

চুল পড়া বন্ধ করতে আপনাকে চুলের যত্ন নিতে হবে সপ্তাহে তিন দিন মাথায় তেল ব্যবহার করুন। আপনারা অনেকেই মাথায় তেল দেন না যার কারণে চুলের গোড়া খুব বেশি উস্কো শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং চুলার গোঁড়া পাতলা হয়ে চুল ঝরে পড়ে। 

প্রতিদিন না হয় কিন্তু সপ্তাহে তিন দিন চেষ্টা করবেন মাথায় তেল দেওয়ার। মাথায় হাবিজাবি তেল না দিয়ে খাঁটি নারিকেল তেল ব্যবহার করুন। খাঁটি নারিকেল তেলের পুষ্টি আপনার চুলের গোড়াকে মজবুত করতে সাহায্য করবে।

সপ্তাহে তিন দিন চুলে তেল দিন এবং তেল দেওয়ার সময় মাথার স্কাল্প খুব সুন্দর ভাবে ম্যাসাজ করুন। স্কাল্প ম্যাসাজ করার ফলে রক্ত সঞ্চালন গতি বাড়বে এতে চুলের গোড়া মজবুত হবে।

অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম সম্পর্কে। এমন কোন তেল নেই যা দেয়ার ফলে আপনার চুল পড়া এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যাবে আপনাকে নিয়মিত যত্ন নিতে হবে এবং কোন কারণে আপনার চুল পড়ছে সেই কারণটি আপনাকে উপরে দেখে নিতে হবে 

তারপর সেই কারণটি শুধানোর চেষ্টা করতে হবে তাহলে আপনার চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। ওপরে নিয়মগুলো অনুসরণ করেও যদি আপনার চুল না পড়ে আর যদি আপনি দেখেন যে আপনার মাথার সামনে এম আকৃতির হয়ে গেছে অর্থাৎ মাথার সামনে চুল উঠে গেছে এবং ইংরেজি m আকৃতির হয়ে গেছে আপনার মাথার চুল দেখতে কিছুটা নিচের ছবির মত হয়ে গেছে,
চুল পড়া বন্ধ করার উপায়
আপনার চুল পড়তে পড়তে যদি ঠিক এমনটা দেখা যায় তাহলে এটি হরমোন সমস্যা। এরকম সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এটি হরমোন সমস্যা থেকে হয়। ছেলেদের ক্ষেত্রে এটি হয় যখন ছেলেদের DHT ডাইহাইড্রো টেস্টোস্টেরন হরমোন বেশি হয়ে যায় তখন কপালের সাইড থেকে এবং চুলের এক সাইড থেকে চুল উঠতে শুরু করে প্রথমে চুল পাতলা হয়ে যায় তারপরে চুল উঠে যায়। 

আর মেয়েদের ক্ষেত্রে অনেক সময় মাথার চুল M আকৃতির হয়ে যায় এবং চুল পড়তে থাকে। মেয়েদের শরীরে পুরুষ হওয়ার মন এন্ড এন্ড্রোজেন হরমোন খুব বেশি যখন বেড়ে যায় তখন মেয়েদের চুল কপালের ২ পাশ থেকে পাতলা হয়ে যায় এবং দুই পাশ থেকে চুল উঠতে শুরু করে এই সময় মাথার আকৃতি দেখতে কিছুটা M ধরনের হয় যা উপরের ছবিটা দেওয়া হয়েছে। 

পিরিয়ডের সমস্যা মুখে ব্রণের সমস্যা মুখে কিংবা শরীরে অতিরিক্ত লোম এর সমস্যা এবং হুট করে ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যা।।। আশা করছি আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন এরকম এম আকৃতির হয়ে কেন সামনের দিক থেকে চুল উঠে যায়। 
এর জন্য আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং নিচের এই টেস্ট গুলো করতে হবে।
  • Tsh
  • Serum testosterone 
  • FSH, LH
  • Serum Ferritin 
  • VITAMIN D
এই কয়েকটি টেস্ট করলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার আসলে হরমোন জনিত কারণে চুল পড়ছে নাকি ভিটামিন ডি থেকে চুল পড়ছে। আশা করছি আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন আমাদের চুল পড়ার কারণ সম্পর্কে এবং চুল পড়ার ফলে কি কি করলে আমাদের চুল পড়া কমে যাবে।

যদি আপনার হরমোন জনিত সমস্যার কারণে চুল পড়ে তাহলে আপনি যতই ঘর বা উপায় অনুসরণ করেন তাহলে কিন্তু চুল পড়া কমবে না। যদি কোন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয় তাহলে আপনাকে সেই হরমোনের ভারসাম্য ঠিক করতে হবে তাহলে আপনার চুল পড়া কমবে। 

তাই অতিরিক্ত চুল পড়া সমস্যা থাকলে আপনি প্রথমে উপরের উপায় গুলো অনুসরণ করুন যে আমরা প্রাকৃতিক উপায় গুলো আলোচনা করেছি প্রাকৃতিক উপায় গুলো এক মাস অনুসরণ করার পরেও যদি আপনার চুল পড়া না কমে তাহলে উপরের এই টেস্ট গুলো করুন। আশা করছি সকলে বুঝতে পেরেছেন চুল পড়া সম্পর্কে। এবার চলুন জেনে আসি আপনার চুল কিভাবে মজবুত হবে কিভাবে ঘন হবে। 

চুল খুব দ্রুত মজবুত এবং ঘন করার উপায় আর চুল পড়া বন্ধ করার উপায় 

আপনি যদি আপনার চোখে খুব দ্রুত মজবুত করতে চান ঘন করতে চান চুল পড়া বন্ধ করতে চান তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন আজকের এই পোস্টে আমরা এমন একটি ঔষধ সম্পর্কে আলোচনা করব যা খুব দ্রুত আপনার চুলকে সুন্দর করবে আপনার ত্বককে সুন্দর করতে সাহায্য করবে। 

এমন একটি ঔষধ রয়েছে যা খেলে আপনি সুন্দর হয়ে যাবেন আপনার ত্বক উজ্জ্বল হয়ে যাবে আপনার তক্ষ বেশি ব্রাইট হবে এবং আপনার চুল পড়া কমে যাবে আর চুল খুব দ্রুত বড় হবে এবং ঘন হবে। হ্যাঁ প্রিয় পাঠক আপনি একদম ঠিক শুনেছেন এমন একটি ওষুধ রয়েছে যা কোনরকম সাইড ইফেক্ট ছাড়া আপনাকে সুন্দর করতে সাহায্য করবে। 

floriz 5000 একটি জাদুকরী ওষুধ যা আপনার ত্বকের ভেতর থেকে সুন্দর করবে আপনার ত্বকে ব্রাইট করবে আপনার ত্বকে ব্রণের সমস্যা কমাবে এবং আপনার ত্বকের গ্লোয়িং করতে সাহায্য করবে সাথে আপনার চুল পড়ার সমস্যা চিরতরে দূর করবে, আপনার চুলকে ঘন করতে সাহায্য করবে ,

আপনার চুলের গোড়াকে স্ট্রং করবে ,আপনার চুল পড়বেনা এবং আপনার চুল খুব বেশি ঘন হবে আর খুব তাড়াতাড়ি বড় হবে। আমরা প্রতিটি মেয়েকে খুব দ্রুত বড় করতে চাই কিন্তু আমরা চোরকে বড় করতে পারিনা। চুল কোনভাবেই বড় হয় না। 

আপনি যদি খুব দ্রুত আপনার চুলকে বড় করতে চান তাহলে আজ থেকে প্রতিদিন রাতে একটি floriz 5000 ট্যাবলেট সেবন করুন এটি খুব দ্রুত আপনার চুলকে বড় করতে সাহায্য করবে। প্রতিদিন রাতে একটি সেবন করবেন অতিরিক্ত সেবন করা যাবেনা। 

এই ট্যাবলেটের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই কম তাই আপনারা নিঃসন্দেহে এই ট্যাবলেট সেবন করতে পারেন। আশা করছি সকলে বুঝতে পেরেছেন কোন ট্যাবলেট খেলে কোনরকম ক্ষতি ছাড়াই আমাদের ত্বক সুন্দর হবে আবার চুলের গোড়া মজবুত হবে। 

floriz 5000 খাওয়ার নিয়ম 

floriz 5000 খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান?? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন। এই ওষুধটি খুবই কার্যকরী এবং খুব বেশি পাওয়ারফুল। তাই প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে একটি ট্যাবলেট সেবন করতে পারবেন। এই ট্যাবলেটের সেবন প্রণালী হচ্ছে ০+০+১ । অর্থাৎ প্রতিদিন রাতে একটি সেবন করতে হবে।

প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে একটি সেবন করবেন। এই ট্যাবলেট একমাস সেবন করলেই আপনি ফলাফল বুঝতে পারবেন। তবে যদি আপনার হরমোন জনিত সমস্যা কিংবা আর অন্যান্য কারণে চুল পড়ার সমস্যা থাকে তাহলে কিন্তু চুল পড়া কমবে না তাই প্রথমে আপনি ওপরের প্রাকৃতিক উপায় গুলো অনুসরণ করুন।

প্রতিদিন রাত দশটা থেকে এগারোটা এর মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ুন স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ দূর করুন। সাথেই প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর floriz 5000 ট্যাবলেট সেবন করুন। যদি আপনার অন্যান্য হরমোন জনিত কারণে চুল পড়ার সমস্যা থাকে,

তাহলে হয়তো এই ট্যাবলেট খেলে আপনার চুল পড়া কমবে না কিন্তু এটা ট্যাবলেট খেলে আপনার চুল খুব দ্রুত বড় হবে এবং নতুন নতুন চুল গজাবে। ফলে আপনার মাথায় দ্রুত টাক পড়বে ন। আশা করছি আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন floriz 5000 খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে এবং এই ওষুধ কিভাবে আপনার চুল পড়া কমাবে সেই সম্পর্কে। 

পাঠকদের কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর

প্রতিদিন দেরি করে ঘুমালে কি চুল পড়ে??

হ্যাঁ আমাদের চুলপারের পিছনে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে আমাদের গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা। গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকলে আমাদের অতিরিক্ত চুল পড়বেই। তাই প্রথমেই আপনি রাত জাগা বাদ দিয়ে দিন। 

কি কি কারনে চুল পড়তে পারে??

আপনি যদি জানতে চান যে ঠিক কি কি কারণে আমাদের কেউ করতে পারে তাহলে ওপরে দেখে নিন আমরা চুল পড়ার কারণগুলো ব্যাখ্যা করেছি আপনি ওপরের কারণগুলো দেখে বুঝতে পারবেন আপনার কোন কারণে চুল পড়ছে??

চুল পড়া কমানোর উপায় কি??

আপনি যদি চুলপাড়া কমানোর উপায় সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আজকের এই পোস্ট সম্পূর্ণ দেখুন আজকের এই পোস্ট সম্পূর্ণ দেখলে আপনি চুল পড়ার কারণ এবং চুল পড়া কমানোর উপায় সম্পর্কে জানতে পারবেন 

লেখকের শেষ মন্তব্য 

প্রিয় পাঠক বৃন্দাবন আজকের এই পোস্টে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করলাম চুলপড়া বন্ধ করার উপায় নিয়ে এই চুল পড়া এর পিছে কারণ কি কেন বর্তমান সময় বাংলাদেশে প্রতিটি মানুষের চুল পড়ছে এবং এই চুল পড়া বন্ধ করার উপায় গুলো কি কি কোন ঔষধ খেলে চুল পড়া কমবে??

অর্থাৎ চুল পড়া সম্পর্কে সবকিছু খুঁটিনাটি বিস্তারিত এই পোস্টে শেয়ার করা হয়েছে আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে বুঝতে পেরেছেন কেন আপনার এত চুল পড়ছে আর আপনার এত চুল পড়া বন্ধ করার উপায় গুলো কি কি। আজকের এই পোস্ট যদি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন।
পরবর্তী পোস্ট পূর্ববর্তী পোস্ট
🟢 কোন মন্তব্য নেই
এই পোস্ট সম্পর্কে আপনার মন্তব্য জানান

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন - অন্যথায় আপনার মন্তব্য গ্রহণ করা হবে না।

comment url